#নুসরাত_ফারিয়ার_সুপার_পাঁদ! যার কারণে হয়েছিল ৯/১১ হামলা
🙊
নুসরাত ফারিয়ার পাঁদের শক্তির কথাতো চুপ হারামী পেইজের বদৌলতে সবাই কম বেশি জানেন😜।না জানলেও সমস্যা নাই,,,আমরা নিচে সেই পোস্টটির কপি দিয়ে দিচ্ছি।আপনারা জানেন আগেরবার নুসরাত ফারিয়া তার পাঁদের সুপার পাওয়ার দিয়ে রিক্সা উড়িয়ে দিয়েছিলেন😜।কিন্তু এইবারের খবর আরো জমজমাট😃।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে,আজ থেকে ১৬ বছর আগের আমেরিকার ৯/১১ হামলার মূল কারণ হচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া!।টাকলুর নিজস্ব গোপন সংবাদ দাতা জানিয়েছেন যদিও এই হামলার পেছনে "আল-কায়েদা"কে দায়ী করা হয়েছিল,তবে মূল ঘঠনার পেছনে আছে নূসরাত ফারিয়ার সেই ভয়ংকর সুপার পাঁদ!😱।জানা গেছে এই হামলাটি আসলে ঘঠার কোন কথাই ছিল না।জানা গেছে কয়েকজন সন্ত্রাসী ওই বিমান দুটিকে (যেকোন স্বার্থের জন্য) হাইজ্যাক করেছিল।এবং যখন তারা নিজেদের স্বার্থ আদায় করছিল,তখন নুসরাত ফারিয়া তার বাড়িতে বসে "কাঁচা মুলা" দিয়ে ভাত খাচ্ছিলেন।এবং ঠিক তখনি বিমান দুটি তার বাড়ির উপড় দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,ঠিক তখনি নুসরাত ফারিয়ার সেই বিখ্যাত পাঁদ এসে গেল!😜।এবং সে সহ্য না করতে পেরে পাঁদটি দিয়ে দেয়!।এবং মুলার শক্তি ও নুসরাতের পাঁদের শক্তি দুটি এক হয়ে উৎপন্ন হয় এক বিরাট শব্দ শক্তির।যার প্রভাব পড়ে বিমান গুলোতেও!😱।এবং বিমানের পাইলট বিমানের তাল সামলাতে না পেরে ওই বিল্ডিং এর ছাদে ইমার্জেন্সি লেন্ড করার চেষ্টা করেন।কিন্তু ভাগ্যে খারাপ থাকায় দুটি বিমানই বিল্ডিং গুলোতে আছড়ে পড়ে!😞
যার ফলে ইতিহাসের পাতায় লিখা হয় এক ভয়ংকর ইতিহাস। তাই আমরা চাই যাতে নুসরাত ফারিয়ার ব্যাপারে কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়।যাতে সে আর এই ধরনের পাঁদ দিতে না পারে।এবং ইতিহাসে আর এইরকম কোন ভয়াবহ ঘঠনা না ঘটে।
নুসরাত ফারিয়ার পাঁদ দিয়ে রিক্সা উড়িয়ে দিবার কাহিনী:
গত সোমবার নুসরাত ফারিয়া প্রচন্ড গরমে ভাত খেতে নীলক্ষেত গিয়েছিলেন । সেখানে ভাত খাওয়ার পর এক বোতল সেভেন আপ খান তিনি । এরপরেই তার মাথা গরম হয়ে যায় কারন দোকানদার সেভেন আপের দাম একটু বেশি রাখতে চেয়েছিলো ।
পরে নুসরাত ফারিয়া অনেক ক্ষণ ঝগরা করেন দোকানদারের সাথে । কিন্তু ঝগরায় না পেরে তিহ্নি প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে পরেন । এরপরে তিনি তার পুরাতন সুপার পাওয়ার পাদের শক্ত প্রয়োগ করে সেভেন আপ বিক্রেতার দোকান ভেংগে দেন ।
তার পরেও তার রাগ না কমায় তিনি আরো একটা খুব জোরে পাদ মারেন । সেই পাদের ঠেলায় একটি রিক্সা বেহুশ হয়ে উডে যায়। এরপরে সেখানে উপস্থিত সবাই ধরা ধরি করে সেই রিক্সাকে হস্পিটালে নেয় । কিন্তু শেস রক্ষা আর হয় নি । বেচারা রিক্সা পরে মরে গেলো শেষ পর্যন্ত ।
বি.দ্র: উপড়ের কাহিনী গুলোর কোনো ভিত্তি নেই।শুধু মাত্র মজা করার জন্য লিখা হয়েছে।কিন্তু আপনারা ব্যাপারটা সিরিয়াসলি নিয়েন।😒🔫
এবং আমরা ৯/১১ হামলায় নিহত সবার জন্য দোয়া কামনা করি।😢
আরেকটা কথা জতটুকু সময় লাগাইয়া পোস্টা পড়ছেন,ততটুকু সময় নিয়া ক্লাসের বই পড়লে নিশ্চিত পাস।😒🔫
#ভিত্তিহীন_পোস্ট #আজাইরা_পোস্ট😕
#নীল
নুসরাত ফারিয়ার পাঁদের শক্তির কথাতো চুপ হারামী পেইজের বদৌলতে সবাই কম বেশি জানেন😜।না জানলেও সমস্যা নাই,,,আমরা নিচে সেই পোস্টটির কপি দিয়ে দিচ্ছি।আপনারা জানেন আগেরবার নুসরাত ফারিয়া তার পাঁদের সুপার পাওয়ার দিয়ে রিক্সা উড়িয়ে দিয়েছিলেন😜।কিন্তু এইবারের খবর আরো জমজমাট😃।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে,আজ থেকে ১৬ বছর আগের আমেরিকার ৯/১১ হামলার মূল কারণ হচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া!।টাকলুর নিজস্ব গোপন সংবাদ দাতা জানিয়েছেন যদিও এই হামলার পেছনে "আল-কায়েদা"কে দায়ী করা হয়েছিল,তবে মূল ঘঠনার পেছনে আছে নূসরাত ফারিয়ার সেই ভয়ংকর সুপার পাঁদ!😱।জানা গেছে এই হামলাটি আসলে ঘঠার কোন কথাই ছিল না।জানা গেছে কয়েকজন সন্ত্রাসী ওই বিমান দুটিকে (যেকোন স্বার্থের জন্য) হাইজ্যাক করেছিল।এবং যখন তারা নিজেদের স্বার্থ আদায় করছিল,তখন নুসরাত ফারিয়া তার বাড়িতে বসে "কাঁচা মুলা" দিয়ে ভাত খাচ্ছিলেন।এবং ঠিক তখনি বিমান দুটি তার বাড়ির উপড় দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল।কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,ঠিক তখনি নুসরাত ফারিয়ার সেই বিখ্যাত পাঁদ এসে গেল!😜।এবং সে সহ্য না করতে পেরে পাঁদটি দিয়ে দেয়!।এবং মুলার শক্তি ও নুসরাতের পাঁদের শক্তি দুটি এক হয়ে উৎপন্ন হয় এক বিরাট শব্দ শক্তির।যার প্রভাব পড়ে বিমান গুলোতেও!😱।এবং বিমানের পাইলট বিমানের তাল সামলাতে না পেরে ওই বিল্ডিং এর ছাদে ইমার্জেন্সি লেন্ড করার চেষ্টা করেন।কিন্তু ভাগ্যে খারাপ থাকায় দুটি বিমানই বিল্ডিং গুলোতে আছড়ে পড়ে!😞
যার ফলে ইতিহাসের পাতায় লিখা হয় এক ভয়ংকর ইতিহাস। তাই আমরা চাই যাতে নুসরাত ফারিয়ার ব্যাপারে কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়।যাতে সে আর এই ধরনের পাঁদ দিতে না পারে।এবং ইতিহাসে আর এইরকম কোন ভয়াবহ ঘঠনা না ঘটে।
নুসরাত ফারিয়ার পাঁদ দিয়ে রিক্সা উড়িয়ে দিবার কাহিনী:
গত সোমবার নুসরাত ফারিয়া প্রচন্ড গরমে ভাত খেতে নীলক্ষেত গিয়েছিলেন । সেখানে ভাত খাওয়ার পর এক বোতল সেভেন আপ খান তিনি । এরপরেই তার মাথা গরম হয়ে যায় কারন দোকানদার সেভেন আপের দাম একটু বেশি রাখতে চেয়েছিলো ।
পরে নুসরাত ফারিয়া অনেক ক্ষণ ঝগরা করেন দোকানদারের সাথে । কিন্তু ঝগরায় না পেরে তিহ্নি প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে পরেন । এরপরে তিনি তার পুরাতন সুপার পাওয়ার পাদের শক্ত প্রয়োগ করে সেভেন আপ বিক্রেতার দোকান ভেংগে দেন ।
তার পরেও তার রাগ না কমায় তিনি আরো একটা খুব জোরে পাদ মারেন । সেই পাদের ঠেলায় একটি রিক্সা বেহুশ হয়ে উডে যায়। এরপরে সেখানে উপস্থিত সবাই ধরা ধরি করে সেই রিক্সাকে হস্পিটালে নেয় । কিন্তু শেস রক্ষা আর হয় নি । বেচারা রিক্সা পরে মরে গেলো শেষ পর্যন্ত ।
বি.দ্র: উপড়ের কাহিনী গুলোর কোনো ভিত্তি নেই।শুধু মাত্র মজা করার জন্য লিখা হয়েছে।কিন্তু আপনারা ব্যাপারটা সিরিয়াসলি নিয়েন।😒🔫
এবং আমরা ৯/১১ হামলায় নিহত সবার জন্য দোয়া কামনা করি।😢
আরেকটা কথা জতটুকু সময় লাগাইয়া পোস্টা পড়ছেন,ততটুকু সময় নিয়া ক্লাসের বই পড়লে নিশ্চিত পাস।😒🔫
#ভিত্তিহীন_পোস্ট #আজাইরা_পোস্ট😕
#নীল

Post a Comment