ঈদে বাস-ট্রেনের ছাদেও সিট না পেয়ে প্লেনের ছাদে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ..😎
... ★*****টাকলু নিউজ*****★
রিপোর্টার #নীল: ঈদুল আজহা মানেই ঘরমুখী মানুষ। ইদ উপলক্ষে এবার নাড়ির টানে স্বজনদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছুটছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রতিবারের মত এবারো দেখা দিয়েছে টিকিট সংকট। টিকিট প্রত্যাশী মানুষদের চাপে এবার টিকিট তো পাওয়া যাচ্ছেই না, বাস এবং ট্রেনের ছাদ পর্যন্ত যাত্রী বোঝাই থাকায় ঘরে ফিরতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষ এবার হামলে পড়েছে এয়ারপোর্টগুলোতে। কিন্তু সেখানেও টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় মানুষের দৃষ্টি এবার গেছে প্লেনের ছাদের দিকে।বলে রাখা ভালো একটি ইন্টারনেশনাল কোম্পানি "Taklu Mama Inc." তাদের নিজস্ব বিমান পরিসেবা চালু করেছে।এতে তারা এক্সট্রা ফিচার হিসেবে বিমানের ছাদেও যাত্রীদের জন্য আলাদা স্থান তৈরি করেছে"।একজন যাত্রীর কাছে এই বিমানে উঠার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, 'প্লেনের ছাদে কোন এয়ার হোস্টেস নাই, বুঝেন অবস্থা! সেভেন আপটাও নিজে ঢেলে খেতে হয়েছে। এর চেয়ে বাসের ছাদে গেলেও তো ভাল থাকতাম। নেমে চা বিস্কুট খাওয়া যেত।
প্লেনের ছাদে প্যারাসুট সরবরাহ করা হচ্ছে এমনটা উল্লেখ করে টাকলু এয়ারলাইন্স এর প্রধান বলেন, ''যাত্রীরা যেন বাড়ির কাছাকাছি আসলেই লাফ দিয়ে নামতে পারে সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে"।সে জন্য তাদের আমরা পেরাশুট ও দূরবীন দিয়েছি
কিছু যাত্রী প্লেনের ছাদে যাত্রার এই নতুন ট্রেন্ডকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। দিনাজপুরগামী মোখলেস বলেন, ‘পেলেনের ছাদে এসি টেসি লাগে না, ব্যাপক ঠান্ডা। একটা অ্যাডভেঞ্চার আছে, ব্যাপারটা পছন্দ হইছে। বাস-টেরেনের(ট্রেনের) ছাদ থাইক্কা পড়লেও মরার চান্স আছে, পেলেনের(প্লেনের) ছাদ থাইক্কা পড়লেও আছে, তাইলে উঠলে তো পেলেনের(প্লেনের) ছাদেই ওঠা উচিৎ। ওপর দিয়া জ্যাম ট্যাম নাই, সব দিক দিয়া আরাম! তবে বাস-ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের মতো প্লেনের ছাদে যাত্রাতেও রয়েছে বিপদের ঝুঁকি। অতিরিক্ত স্পিডে ওভারটেক করার সময় হবিগন্জগামী একটি প্লেনের ছাদ থেকে যাত্রী নদীতে পড়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই যাত্রী বাহুবল থানায় প্লেনের পাইলটের নামে একটি মামলাও করেছেন বলে জানা গেছে। পাইলট অবশ্য ওভারটেকের অভিযোগ নাকোচ করে দিয়েছেন।
রিপোর্টার #নীল: ঈদুল আজহা মানেই ঘরমুখী মানুষ। ইদ উপলক্ষে এবার নাড়ির টানে স্বজনদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছুটছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রতিবারের মত এবারো দেখা দিয়েছে টিকিট সংকট। টিকিট প্রত্যাশী মানুষদের চাপে এবার টিকিট তো পাওয়া যাচ্ছেই না, বাস এবং ট্রেনের ছাদ পর্যন্ত যাত্রী বোঝাই থাকায় ঘরে ফিরতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষ এবার হামলে পড়েছে এয়ারপোর্টগুলোতে। কিন্তু সেখানেও টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় মানুষের দৃষ্টি এবার গেছে প্লেনের ছাদের দিকে।বলে রাখা ভালো একটি ইন্টারনেশনাল কোম্পানি "Taklu Mama Inc." তাদের নিজস্ব বিমান পরিসেবা চালু করেছে।এতে তারা এক্সট্রা ফিচার হিসেবে বিমানের ছাদেও যাত্রীদের জন্য আলাদা স্থান তৈরি করেছে"।একজন যাত্রীর কাছে এই বিমানে উঠার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, 'প্লেনের ছাদে কোন এয়ার হোস্টেস নাই, বুঝেন অবস্থা! সেভেন আপটাও নিজে ঢেলে খেতে হয়েছে। এর চেয়ে বাসের ছাদে গেলেও তো ভাল থাকতাম। নেমে চা বিস্কুট খাওয়া যেত।
![]() |
| "ঈদে বাস-ট্রেনের ছাদেও সিট না পেয়ে প্লেনের ছাদে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ" |
কিছু যাত্রী প্লেনের ছাদে যাত্রার এই নতুন ট্রেন্ডকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। দিনাজপুরগামী মোখলেস বলেন, ‘পেলেনের ছাদে এসি টেসি লাগে না, ব্যাপক ঠান্ডা। একটা অ্যাডভেঞ্চার আছে, ব্যাপারটা পছন্দ হইছে। বাস-টেরেনের(ট্রেনের) ছাদ থাইক্কা পড়লেও মরার চান্স আছে, পেলেনের(প্লেনের) ছাদ থাইক্কা পড়লেও আছে, তাইলে উঠলে তো পেলেনের(প্লেনের) ছাদেই ওঠা উচিৎ। ওপর দিয়া জ্যাম ট্যাম নাই, সব দিক দিয়া আরাম! তবে বাস-ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের মতো প্লেনের ছাদে যাত্রাতেও রয়েছে বিপদের ঝুঁকি। অতিরিক্ত স্পিডে ওভারটেক করার সময় হবিগন্জগামী একটি প্লেনের ছাদ থেকে যাত্রী নদীতে পড়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই যাত্রী বাহুবল থানায় প্লেনের পাইলটের নামে একটি মামলাও করেছেন বলে জানা গেছে। পাইলট অবশ্য ওভারটেকের অভিযোগ নাকোচ করে দিয়েছেন।


Post a Comment